কার্তুজ - ২য় রাউন্ড লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কার্তুজ - ২য় রাউন্ড লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২ মার্চ, ২০১৩

ডাল্টন সৌভাত হীরা


প্রিয় প্রেয়সি, শাহবাগ তোমার শাহদান চায়

তোমাকে বললাম, শুনেছ ! কাল শাহবাগে মরেছে এক ছাত্র।
কাঁধে ছিল একব্যাগ বই, আর অযথা পোষ্টার কিছু। ব্যাগে নাকি
পাওয়া গ্যছে কৃষ্ণচূড়ার ডালিও কয় !
তুমি বোধ করি কম্পিউটারে গেমস-টেমস খেলছিলে।
আমাকে বললে ঘুরাতে ঘুরাতে ঘাড় -
বাইশ বছর বয়সটাই ভয়ংকর ; দ্যাখো প্রেমিকার সঙ্গে কী বাঁধিয়েছে !
নয়ত ছুটে গেছে একমাত্র টিউশনি, হাঁটা-চলা।
আমি বলতে যাচ্ছিলাম কিছু একটা,তারপর থেমে গিয়ে ভাবলাম-
হলেও হতে পারে, বাইশ বয়সটাই ভয়ংকর!

আমি তোমাকে বললাম, শাহবাগে কাল মরেছে এক বুড়ো শিক্ষক।
দোহাতি ব্যাগে ভরা ছিল লিফলেট।
তুমি কিছুক্ষন ভ্রু কুঁচকালে, তারপর বললে, পৃথিবী আর সইতে
পারছিল না দুর্বহ ভার। বৃদ্ধেরা মরার জন্যই জন্মায়।

আমি তারপর বলি, কাল শাহবাগে মরেছে এক তরুন সৈনিক।
তুমি কিছুক্ষন তাচ্ছিল্যের হাঁসি হাসলে ; তারপরে বললে -
সমরে ও সঙ্গমে ধন্য শনক সৈনিক।
মরনে তার প্রবল নিয়ত।

আমি ভেবে ভেবে দেখি, তোমার কথা ঠিকও হতে পারে।
তারপরেও আমতা করে বলি, তরুন সৈনিক একই সাথে ছিল কবিও।
এবার তুমি বিরক্ত কিছুটা ; বললে কবির উপর থাকে কবিতার আছর।
কবিতা ও বিপ্লব মানুষকে মারে।

আমি আবার বললাম, কাল সেখানে মরেছে এক নাস্তিক।
ঈশ্বর তাকে পছন্দ করেননি, তুমি বলে উঠলে জোরে, তোমার
মুখ সন্ত্রস্ত, যাতে ঈশ্বর আবার কুপিত না হয়ে বসেন তোমার পরে !
আমি কিছুটা রাগি, তারপর মনে মনে বলি, বিপ্লব বুঝি ঘরে বসে হয় !

এবার আমি জোরে বলে উঠি, কাল শাহবাগে মরেছি আমি।
গলা কেশে আবার বলে উঠি, কাল শাহবাগে মরেছি আমি।
তুমি নিরুত্তাপ, কি-বোর্ড টিপতে টিপতে বলো -
তুমি তো মরবেই, রোমান্টিক বিপ্লবীরা মরে।

আমি ছোট করে তোমার কাছে দাড়াই এইবার। যাতে তুমি
শুঁকতে পার আমার ও বিপ্লবের ঘ্রান। তারপর বলি অনুচ্চ স্বরে -
আজ শাহবাগে মরেছ তুমি।
এইবার তুমি বিস্মিত, কি-বোর্ড অন্ধ করে আমার দিকে ঘোর।
মানে? কোথায়? কিভাবে?

তোমার কথা শেষ হওয়ার আগেই বেনামি রক্তে ভিজে যায় কি-বোর্ড।

১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩

অপরাহ্ণ সুসমিতো


সমবেত ঘুমের বন্দনা

বালিশের কাছে তুমি কুঁকড়ে থাকো। তোমার মাথা কালো রেহালে তোলার মতো একাকী শুয়ে থাকতে থাকতে তোমাকে জড় শরীর লাগে। তোমার ঘ্রাণের জন্য আমি বইয়ের পাতা উল্টাই। একেকটা শব্দ মৃত স্বরাজ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মতো একপেশে জায়গা করে নেয়, ঘুমের গঠনতন্ত্র, আমাদের উদ্দাম রতি পার্বনের দিকবিদিক সংশোধন করে দেয়।

কেউ কেউ জেগে থেকে নিজেকে অস্তিত্বহীন প্রমান করে। আইন শৃংখলা বাহিনীর মতো অকেজো, গোলালুর মতো। তোমার ডান পাশে হানাহানি করে আমার বাম পাশে শান্তির মোম মিছিল করে। মাজারের সামনে দোকানে মোমের দাম বেড়ে যায় ঐ বিশ্রী খাদেমটার মতো।

আমি চোখে সাবান ঘষে তিনপ্রহর ধবধবে জেগে থাকি। কবিতা বানাই রুটি ভাজি ডিম সিদ্ধ দেই। চেনা নারীর শরীর মাপি লুকিয়ে আবডালে, আমি সারাদিন প্রগতির মুখোশ কিনে বেড়াই।

একটা সুরঙ্গ খঁজতে খুঁজতে পোশাক খুলে ফেলা খুব আটপৌরে। উপমন্ত্রী পারে, নগর কমিটি পারে, মাতাল দুশ্চরিত্র কবিও পারে কবিতার ঝুনঝুনি বাজিয়ে তবু আফ্রিকার হীরের টুকরো আমাদের দূরের থেকে যায়।

তুমি বেশুমার বেহুলা হয়ে ঘুমাও।

সব্বাই যখন কাপড় চোপড় খুলে ঘুমাচ্ছে। এসো লজ্জার ঘটি বাটি উনুন দেরাজ বন্দী করে আমরাও ঘুমু করি।

সৌভিক দা '


শাহবাগ মুভমেন্ট

এরকম অগণন ভাঙনের পর একদিন -
আকাশের ভেতর থেকে ঝরে পড়ে
টুকরো টুকরো নীল কাঁচ।

রঙ বদলে ফেলা একটি গিরগিটি
শেষ পর্যন্ত বিশ্বাসহীনতায় ভুগতে ভুগতে
কী ভীষন একা হয়ে যায় !

জানালার ফাক দিয়ে বিকেল গলে পড়ে হলুদ আলোয়,
চশমার ভেতরে অশ্রুবিন্দুটি আরো বিমর্ষ হয়।

মাসকলাইয়ের উঠোনে একটা ছোট্ট ফিঙে পাখি
ছুটতে ছুটতে ছুটতে ছুটতে ছুটতে ছুটতে
মাঠ-ঘাট-দিগন্ত পেরোয় ...
সবুজ পতাকা মেশে ধানক্ষেত :

যার ভেতরে আমরা একটি স্বদেশের জন্ম হতে দেখি !

০৪ ফাল্গুন ১৪১৯

রত্নদীপা দে ঘোষ


বিজ্ঞপ্তি

মহিলা। চল্লিশ। বিবাহিতা। এক সন্তানের জননী।
চুলের রঙ বার্গেন্ডি। সম্প্রতি বয়-কাট করেছেন।
না, সিঁথিতে সিঁদুর নেই। ভ্রূ'র মাঝখানের জায়গাটুকুও ফাঁকা
...সম্ভবত ইনি ফেমিনিস্ট।

তবে অন্যান্য নারীবাদী মহিলাদের মতো ইনি কাটখোট্টা নন।
খোশমিজাজ। স্বভাব রসিক। ছলকে ওঠা ঝর্ণার সাথে মিল আছে।

হারিয়ে যাবার সময় পরণে ছিল কালো শাড়ি সোনালী বুটিদার
সমুদ্র ওলটপালট করে দেওয়া স্লিভলেস ব্লাউজ
দু‘এক কলি রবীন্দ্রসংগীত অসময়ে ফুটে ওঠা

চোখ ছাড়া মহিলার শরীরে আর কোনো গয়না নেই...

দঈত আন্‌নাহাল


বিস্মৃতির ইস্তেহার !

কোনো উত্তর নাই !
শুধু চিঠি
অনির্দিষ্ট কালের জন্যে
সময়ের ডানায় করেছে ভর !

কোনো উত্তর নাই
ডাক বাক্স এখন
বিপ্লবের শহর !

কোনো উত্তর নাই !
আমরা ধীরে ভুলে যাই
ভুলে যাওয়া সুখকর !

বসন্ত এখন গায়ে
কাঁটা দেয় !
শুধু হলুদ ফুটে থাকে
অরন্যে নির্জনে !
কোনো উত্তর নাই !
চিঠি পৌছায় না কোনোখানে...

তোমার মন্ত্রে দীক্ষা নেয়া পথ
প্রেমিকা মোড় ভুলে,
গায়ে উঠে আসে
ধুলোর শপথ...
কোনো উত্তর নাই!
শোকেও কেমন বাজিতেছে নহবত !

১৬০২১৩

কৌস্তভ ভট্টাচার্য


এডিটিং টেবিলে

ক্যামেরা অবজেক্টের থেকে ৩০ ডিগ্রির কম ঘুরিয়ে, কাট দিলে -
দর্শকের মনে হয় একটা লাফ দিলো-
জমি, আশমান, হৃদয়
-তাই আরেকটা জাম্পকাট সৃষ্টি হয়।
আর স্মৃতিগুলো ডিজল্ভ করে যায়।

আমার গল্পতে কোনো আফটার এফেক্ট পড়েনা-
এখানে কোনো ডলবি ডিজিটাল,
কিংবা সিজিআই নেই।
সম্ভব হলে পুরো গল্পটাই অ্যানালগে বলতাম।

সত্যি করে বলোতো সিনেমা-প্রিয়তমাসু,
আখেরে যখন রেন্ডারিং হয়, মনে হয় না কখনো?
আমরা যদি প্রত্যেকটা শট আরেকবার করে রিভিসিট করতাম-
সেটগুলো মাটি থেকে উঠে দাঁড়াতো পুনরায়
(ওয়েদারিং না হয় নাই হলো, ওইটুকু বিচ্যুতি কারো চোখে পড়তোনা)
আমি তুমি, বোকা বোকা হিন্দি ছবির দৃশ্যের মতো,
জামা কাপড় বদল করে চলে যেতাম,-
দৃশ্যান্তরে-
এই গল্পে ফেড ইন ফেড আউট থাকতো না।

সব ছবি রটেন টোমাটোসে ৯৫% হাততালি না পেলে,
তোমার জাত যাবে? জানি।

নীলকণ্ঠ অরণি


ধুলোমাখা প্রেম

এই বসন্তে আমাদের প্রেম হোক ধুলোবালি মাখা
রাজপথে রাজপথে
শ্লোগানে শ্লোগানে

কোকিল
তুমি সুর করে বল-
"ক তে কাদের মোল্লা
"তুই রাজাকার - তুই রাজাকার"
তরুণ আমের বোল
তুমি বাতাসে মাখো বিপ্লবী ঘ্রাণ
হলুদ ফুলের সাথে মিশে যাক্ রক্তের তুফান
ফাল্গুনী হাওয়া
তুমি নিভিয়ে দিওনা আমাদের চেতনা শুদ্ধির দীপশিখা।

এই বসন্তে, তোমার হাতে থাক লাল প্ল্যাকার্ড
তাতে বড় করে লিখো-
"ভালোবাসি তোমাকে প্রিয়
আর ভালোবাসি প্রিয় মাতৃভূমি আমার"
মানুষ খুঁজে নেয় আজীবন তার প্রেরণা বাঁচার।

এই বসন্তে-
লাল শাড়িতে আমি থাকবো মিছিলে মিছিলে
ধ্রুপদী পিপাসায়
তুমি তাতে ঢেলে দিও তৃষ্ণার জল
ঘুমহীন চোখ জেগে থাক আজন্ম পাহারায়
আমাদের দৃপ্ত কণ্ঠ থেকে আগুন পাখি মেলুক পাখা
এই বসন্তে, তোমার আমার প্রেম হোক ধুলোবালি মাখা।

প্রত্যুষ বন্দ্যোপাধ্যায়


সংহতি সমিতির সভা ভাঙার পর

আমরা সবাই জোট বেঁধে ফেললাম
ছোট ছোট গোল্লায়

সবারই হাত নেড়ে নেড়ে
কথা বলার থাকে
সব্বাই একে অপরের গর্হিত ইতিহাস
অনর্গল উগরে দেয়
একে অপরের দিকে তাকায়
মাথা ঝাঁকায়, হাসে
আর দূরে সরে যায়

শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে আড়চোখে তাকিয়ে
অপুষ্টির সাথে কানামাছি খেলতে খেলতে
মেয়েটা হাঁফাচ্ছিলো আর
লাল প্লাস্টিকের চেয়ারগুলো
লম্বালম্বি গেঁথে রাখছিলো
একের ওপর এক

এর মধ্যে
মাইকঅলার ট্যাক্সি ভাড়া কে দেবে -
জনৈক অধ্যাপকের সাথে নন–বিখ্যাত প্রকাশকের
কাজিয়াটা ছিলো সবচেয়ে মুখরোচক

এ সবের পরোয়া না করেই
কয়েকজন হাততালি দিয়ে গাইছিলো -
হাতলভাঙা কাপের খ্যাতি নিয়ে
অতিক্রান্ত কবির সাথে সেঁটেছিলো
অল্পবয়সী তরুণীরাও

আর আমরা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলাম
নিচ্ছিলাম -
আগামী পরশু একই জায়গায়
একই সময়ে
আরেকটি সমিতির ব্যানারের আচ্ছাদনে
সমবেত হওয়ার...

হিজল জোবায়ের


অন্ধকার, তোমাকে শিখেছি গভীর অন্ধকারে...

দোযখের সাপ
তোমার লোলুপ জিহ্বা পোড়ে
তপ্ত তেলে তারপিনে,
তোমার দ্বিধাখণ্ডিত ফল
হে দেবতা
হে পিশাচ
ভোজ্য তেলে সেদ্ধ হয়ে ওঠে

আলোহীন প্রভাহীন আগুনের আঁচে;

টেবিলে শোয়ানো পাখি
ছিঁড়ে দু' টুকরো করি
সে তোমার ভোজ

পাখির পালক, অন্ত্র, কোষ
তারপর
সোমরস ক্রমে নদী
ভুল ক্রমে জ্ঞান
তোমার লালায় মেশানো
বিষাক্ত ফুলের সুবাস

বিষাক্ত পরাগ, পাপড়ি ও মধু
তুমি আমাকেই দাও
আমিই সে সাপ
সেই ভ্রষ্ট সরীসৃপ

হে সাপ, বিদেহী ইবলিশ
আত্মা চিরে বের হয়ে আসা
সে কোন ময়ূর
তোমাকেই বিষথলি ভেবে
ঠোঁটে তুলে নেয়

কেবলি ময়ূর
কেবলি পেখম
বিষথলি পোড়ে

এই ধুলা-পবনের দেশ
কমলালেবুর বনে
কুসুমে-কণ্টকে বিষথলি সারাটা শরীর
সরীসৃপ, তবু তোমার অসম কুণ্ডয়ন
তবু নাগ, তবু হে পানোখ
তোমার সকল ছোবল গন্ধমে লীন

কুমারী-ময়ূর আসে
ঘন নীল ময়ূরী-কুমার
মেঘ ডাকে
মেঘে মেঘে বিষ-লালা
কুসুমে পরাগ
বিশালিনী দুয়ারে দুয়ারে ময়ূরের পাখা
কবন্ধ বিগ্রহে ফণা তোলা সাপ
আর কবে ফুরাবে এ-গান

বিষ বলে সাপ
সাপ বলে ময়ূর ময়ূর
ময়ূর সে সাপ
আমি সে ময়ূর...!!!

এমরান হাসান


যে ব্যাকুল জ্যোৎস্নাগুলো

কেউ আসে জলের কলরোলে
শস্যের গান এই প্রহরে স্তব্ধ সুরহীন হঠাৎ
বিবৃত সময়ের মাস্তুল ভেঙ্গেছে কোথাও
অসহ্য আলোর তৃষ্ণা বাড়ে অন্ধ-অলিন্দে
মূর্ছনায় আসে কি রোদ কিংবা ছায়া?
পবিত্র স্বত্তায় ফেরারী অদ্ভুত প্রজাপতি ডানা
মরে যাওয়া নক্ষত্রে ছিলো গোপন ঠিকুজি তার

কে শোনায় এই গান বিভৎস বেলায়
মৃত্যুর আহ্বান জেগে ওঠে চেনা সরোবরে
নিরঙ্কুশ বোধের পর্দা উড়ে যায়
করতলে বিম্বিত দ্যাখো পূর্বপুরুষের প্রতিচ্ছবি
বিভ্রান্ত গোপনেই শুকোয় ক্ষমাহীন জলরঙ

ফিরে এসো হে ব্যাকুল তীর্থ সংসার
মুগ্ধ বাগান-দৃশ্যে মরে গ্যাছে বিস্ময়ের ঘ্রাণ

শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০১৩

সিপাহী রেজা


ডাকছে শাহাবাগ

শীত চলে গিয়ে এখন আসি আসি করছে ফাল্গুন !

বুয়েট, ঢা.বি'র ভিতর দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে
দেখি প্রতিটা আম গাছে মুকুল,
নাকে ঢুকে যায় মাতালিয়া ঘ্রাণ।

কিছুক্ষণ হয়তো চোখ বুজে ঘ্রাণটা শুকে নেওয়া যেত
কিন্তু সময় কই ? ডাকছে শাহাবাগ।

টি.এস.সি এসেও মনে পরে যায় এখন ফেব্রুয়ারি
ডাইনে মোড় নিলেই বইমেলা,
স্টলে স্টলে ভাষাদের ঘ্রাণ।

মেলায় ঢুকে প্রচ্ছদের ভিড়ে হয়তো হারিয়ে যাওয়া যেত
কিন্তু সময় নেই ? ডাকছে শাহাবাগ।

রাজু ভাস্কর্য পেরিয়েই চোখে ধপ করে জ্বলে উঠে মশাল
বুকে ধুপ ধাপ, মুখে বিষ, কানে বিস্ফোরণ
...........................কলিজায় মারে ঘাই
....................বডিতে মারে বান
...............ফুলে উঠে রগ
.......গলার ভিতরে ক্ষোভ
রাজাকার সাবধান-
সাবধান, হুঁশিয়ার
বোকাচোদা রাজাকার !
শ্লোগানে শ্লোগান, কিটমিটে দাত, যেন শাহাবাগও অবাক !

এখানে শ্লোগান, এখানে বর্ণমালা...
এখানে,
............."ক তে - কাদের....................গ তে - গু আজম
..............স তে - সাকা.......................ম তে - মুজাহীদ
..............ক তে - কামরুজ্জামান...........ন তে - নিজামী
..............ব তে - বাচ্চু........................ছ তে - ছাঈদী"

এখানে শ্লোগান, এখানে বর্ণমালা...
এখানে,
..............ফাঁসি ফাঁসি, ফাঁসি চাই ! রাজাকারের ফাঁসি চাই !
..............কাফন রেডি বডি চাই ! রাজাকারের ফাঁসি চাই !

এখানে শ্লোগান, এখানে বর্ণমালা...
এখানে
..............শাহাবাগ। এখানে দাবী...
..............এখানে ভাষার মাস এখন ফেব্রুয়ারি
..............এখানে ফাঁসির মাস এখন ফেব্রুয়ারি।


০৯ ফেব্রুয়ারি, শাহাবাগ মোড় ২০১৩