প্রণব আচার্য বিরচিত "প্রেম ও অন্যান্য কবিতা"-পাণ্ডুলিপিটি বই আকারে প্রকাশিত হবে ২০১৪ ইং বর্ষের অমর একুশে গ্রন্থমেলায়। বইটির প্রকাশনায়ঃ সাকী পাব্লিকেশন, প্রচ্ছদঃ নির্ঝর নৈঃশব্দ্য। বইটির সম্বন্ধে জানাতেই প্রকাশিতব্য পাণ্ডুলিপির মধ্যথেকে বেশ কয়েকটি কবিতা নিয়ে কার্তুজের এবারের রাউন্ড "পাণ্ডুলিপি সমাচার ২০১৪"
- প্রেম ও অন্যান্য কবিতা -
কিছুই হয়নি
রাস্তার গাছগুলো মৌজে আছে, কত পাখিরতি দেখে
রাতদিন; আমি ফুলহাতা শার্টের লাগিয়েছি বোতাম
শুনে গিয়েছি অনর্গল আয়নার শব্দ ও হাতুড়ির দাবী
শিশি ভর্তি জোঁকের তেল জমিয়েছি গোপনে
পুনরুত্থানের লোভে;
তবু শরীর জুড়ে চুমুর আঘাত বেড়ে যাচ্ছেই, যাচ্ছে
এই রাস্তার কংক্রিটগুলো ভালো; সুখে আছে
রোদেবৃষ্টিতে জল ও কাদায় যৌথতায়
আমি শুধু দৃশ্য খুঁজতে গিয়ে রপ্ত করেছি
সাপনেউলের খেলা;
আত্মস্থ করেছি শব্দের ফিকির
কিছুই হয়নি বরং দূরত্ব বেড়েছে পথের
নীরবতা
(কবি তুহিন দাসের একটি কবিতা পড়ে)
গাছ, আমার গল্প শেষ; তোমার গল্প
অনিঃশেষ; তুমি বলো
ঝিঁঝিঁর শব্দে কামনা জাগছে
সংক্ষিপ্ত রাতে আর কী-ই করার আছে
এই ষড়যন্ত্রের নীরবে।।
দীর্ঘ ছোবল
যাদের চিনতে পারি তাদের মধ্যে তুমি নেই
তুমি আছ অধ্যয়নে, পাঠ্যসূচির
বোকাসোকা গদ্যেপদ্যে; পারাবাতগুলি
বৃথাই ওড়ে বাকহীন; আদিতে কি জল ছিলে?
এখানে পাঠ্য শুধু, পাঠভ্যাসে
মায়ামৃগ চড়ে।
মনে আছে? অথবা চলো পুনরায় সাপ সাপ খেলি;
তুমি মণিময় নাগিন, আমি লোভাতুর ব্যাধ;
অসতর্কে চঙ্গল করো, পারো যত দীর্ঘ ছোবল
এই তো বিস্ময়, মনে পড়ে গ্যাছে নাম
মনে রেখেছি ক্রীড়া ব্রীড়া অবহেলা
শূন্যজা
কবরের গভীরে বসে ছুঁয়ে দেখি জমাট শীত
জড়িয়ে রয়েছে মমিময়; ওত পেতে আছে
ভূপৃষ্ঠ জুড়ে জেঁকে বসা রজ্জুর মিথ।
আমার ডানায় চড়ে একদিন তুমিও নামবে
জমিনের জমানায়; তাৎসমিক আভিজাত্যের
বৃষ্টির জলে খুঁজে পাবে হেরার জন্ম ইতিহাস
ভুলে যেও না আমিও ফার্সির বখাটেপনায়
জিয়ানো ছিলাম; যেন শিং মাছ
গেরস্থের বালতির জলজ কয়েদি।
নিজের মর্ম বুঝতে ব্রহ্মা- ভ্রমণে এসে দেখি
অসীমের তত্ত্বে লীন হয়ে আছি অনাদি পুরুষ
আমাতে বিহার করো, আমিই তোমার নিরঞ্জন
রাস্তার গাছগুলো মৌজে আছে, কত পাখিরতি দেখে
রাতদিন; আমি ফুলহাতা শার্টের লাগিয়েছি বোতাম
শুনে গিয়েছি অনর্গল আয়নার শব্দ ও হাতুড়ির দাবী
শিশি ভর্তি জোঁকের তেল জমিয়েছি গোপনে
পুনরুত্থানের লোভে;
তবু শরীর জুড়ে চুমুর আঘাত বেড়ে যাচ্ছেই, যাচ্ছে
এই রাস্তার কংক্রিটগুলো ভালো; সুখে আছে
রোদেবৃষ্টিতে জল ও কাদায় যৌথতায়
আমি শুধু দৃশ্য খুঁজতে গিয়ে রপ্ত করেছি
সাপনেউলের খেলা;
আত্মস্থ করেছি শব্দের ফিকির
কিছুই হয়নি বরং দূরত্ব বেড়েছে পথের
নীরবতা
(কবি তুহিন দাসের একটি কবিতা পড়ে)
গাছ, আমার গল্প শেষ; তোমার গল্প
অনিঃশেষ; তুমি বলো
ঝিঁঝিঁর শব্দে কামনা জাগছে
সংক্ষিপ্ত রাতে আর কী-ই করার আছে
এই ষড়যন্ত্রের নীরবে।।
দীর্ঘ ছোবল
যাদের চিনতে পারি তাদের মধ্যে তুমি নেই
তুমি আছ অধ্যয়নে, পাঠ্যসূচির
বোকাসোকা গদ্যেপদ্যে; পারাবাতগুলি
বৃথাই ওড়ে বাকহীন; আদিতে কি জল ছিলে?
এখানে পাঠ্য শুধু, পাঠভ্যাসে
মায়ামৃগ চড়ে।
মনে আছে? অথবা চলো পুনরায় সাপ সাপ খেলি;
তুমি মণিময় নাগিন, আমি লোভাতুর ব্যাধ;
অসতর্কে চঙ্গল করো, পারো যত দীর্ঘ ছোবল
এই তো বিস্ময়, মনে পড়ে গ্যাছে নাম
মনে রেখেছি ক্রীড়া ব্রীড়া অবহেলা
শূন্যজা
কবরের গভীরে বসে ছুঁয়ে দেখি জমাট শীত
জড়িয়ে রয়েছে মমিময়; ওত পেতে আছে
ভূপৃষ্ঠ জুড়ে জেঁকে বসা রজ্জুর মিথ।
আমার ডানায় চড়ে একদিন তুমিও নামবে
জমিনের জমানায়; তাৎসমিক আভিজাত্যের
বৃষ্টির জলে খুঁজে পাবে হেরার জন্ম ইতিহাস
ভুলে যেও না আমিও ফার্সির বখাটেপনায়
জিয়ানো ছিলাম; যেন শিং মাছ
গেরস্থের বালতির জলজ কয়েদি।
নিজের মর্ম বুঝতে ব্রহ্মা- ভ্রমণে এসে দেখি
অসীমের তত্ত্বে লীন হয়ে আছি অনাদি পুরুষ
আমাতে বিহার করো, আমিই তোমার নিরঞ্জন
মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, কার্তুজ'এর সঙ্গেই থাকুন।