ওমর ফারুক জীবন বিরচিত "রাত্রির চঞ্চু বেয়ে ফুটেছে এই ভোর"-পাণ্ডুলিপিটি বই আকারে প্রকাশিত হবে ২০১৪ ইং বর্ষের অমর একুশে গ্রন্থমেলায়। বইটির প্রকাশনায়ঃ শুদ্ধস্বর। বইটির সম্বন্ধে জানাতেই প্রকাশিতব্য পাণ্ডুলিপির মধ্যথেকে বেশ কয়েকটি কবিতা নিয়ে কার্তুজের এবারের রাউন্ড "পাণ্ডুলিপি সমাচার ২০১৪"
- রাত্রির চঞ্চু বেয়ে ফুটেছে এই ভোর -
গেরিলা রাত
ক্রমশ চুড়ার দিকে অগ্রসর হামাগুড়ি, পেছনে পিচ্ছিল খাড়া পথ,
মগজের ভাঁজে লোমহর্ষ শিহরণে, কেটে গেলে ক্রোলিংয়ে গেরিলা রাত;
ওঁৎপাতা পাহাড়ের ভাঁজে জেগে থাকে নীলগিরিখাদ,
পড়ে এলে অবিরাম রুদ্ধশ্বাস!
চুড়া ঝলমল স্নিগ্ধ ভোরে, ঢালুবেয়ে প্রাগ্রসর বিস্তীর্ণ দিনের দিকে;
সমতলে, রৌদ্রপ্যারাসুট থেকে নেমে পড়ে ঝাঁকঝাঁক উষ্ণতর আলো,
মধ্যাহ্ন পেরিয়ে বিকেলের ছুটন্ত ঘোড়ার হ্রেষাধ্বনি পৌঁছে যায়,
কপালের ভাঁজ পড়া গোধুলীর দিকে;
অতপর, মুছে গেলে সম্পন্ন দিনের আইলেশ,
পাহাড়ের ঘুমে জেগে উঠে নিঝুম গেরিলা রাত...
ক্রমশ চুড়ার দিকে অগ্রসর হামাগুড়ি, পেছনে পিচ্ছিল খাড়া পথ,
মগজের ভাঁজে লোমহর্ষ শিহরণে, কেটে গেলে ক্রোলিংয়ে গেরিলা রাত;
ওঁৎপাতা পাহাড়ের ভাঁজে জেগে থাকে নীলগিরিখাদ,
পড়ে এলে অবিরাম রুদ্ধশ্বাস!
চুড়া ঝলমল স্নিগ্ধ ভোরে, ঢালুবেয়ে প্রাগ্রসর বিস্তীর্ণ দিনের দিকে;
সমতলে, রৌদ্রপ্যারাসুট থেকে নেমে পড়ে ঝাঁকঝাঁক উষ্ণতর আলো,
মধ্যাহ্ন পেরিয়ে বিকেলের ছুটন্ত ঘোড়ার হ্রেষাধ্বনি পৌঁছে যায়,
কপালের ভাঁজ পড়া গোধুলীর দিকে;
অতপর, মুছে গেলে সম্পন্ন দিনের আইলেশ,
পাহাড়ের ঘুমে জেগে উঠে নিঝুম গেরিলা রাত...
স্বপ্ন
ঘুমের দরজা ভেঙ্গে ঢুকে পড়ে ঝাঁক ঝাঁক স্বপ্ন
হঠাৎ ‘আসহাবে কাহ্ফের’ মত ঘুম ভেঙ্গে দেখি
ঘুমিয়েছি মুহুর্তকাল,
ক্ষুধায় কাতর নেমে পড়ি জনপদে,
বড় অচেনা লাগে পথঘাট!
ভাষা, মানুষের জীবনাচার কিছুই চেনা নয়,
ক’টি মুদ্রা দোকানিকে এগিয়ে দিলে,
ইতিউতি চেয়ে দেখে! অবাক অচল মুদ্রা হাতে!
নিমিষেই বুঝেফেলি, ঘুমিয়েছি হাজার বছর!
পালিয়ে এসে ফের ঘুমিয়ে পড়ি।
প্রতিবিম্ব
সুখগুলো ঢেকেছিল;
ধুলার স্তুপে,
আয়নাটা মুছতেই-
সুখের অধিক অট্টহাঁসি করে উঠলো; দুঃখ,
প্রতিবিম্বে।
টোকা
কে জানি, টোকা দেয়;
সে কথা ভেবেই ঘুমে জেগে থাকে চেতনা-
নির্ঘুম চোখ ও মন,
কে জানি, টোকা দেয়;
দরজা খুলেই দেখি,
সুনসান দীর্ঘপথ; পথের দূ'ধারে,
একফসলা বৃষ্টি শেষে ঘাসে ঘাসে ভিজা রোদ,
দূর থেকে এসে বহুদূরে বাঁক নেয় নদী;
কেশর দুলিয়ে ছুটন্ত ঘোড়া যেন,
শুভ্র মেঘের ছায়ায় জল দূ’ভাগ করে ছুটছে;
বলাকার ডানার মত পালতোলা নৌকো,
সম্বিৎ ফিরে কপাট দিয়ে আসি;
কে জানি, টোকা দেয়;
দরজা খুললেই, হাত ধরে বলে;
চল,
দরজার ওপারে;
সীমাহীণ উন্মুক্ত কপাটবিহীন দরজায় ...
ঘুমের দরজা ভেঙ্গে ঢুকে পড়ে ঝাঁক ঝাঁক স্বপ্ন
হঠাৎ ‘আসহাবে কাহ্ফের’ মত ঘুম ভেঙ্গে দেখি
ঘুমিয়েছি মুহুর্তকাল,
ক্ষুধায় কাতর নেমে পড়ি জনপদে,
বড় অচেনা লাগে পথঘাট!
ভাষা, মানুষের জীবনাচার কিছুই চেনা নয়,
ক’টি মুদ্রা দোকানিকে এগিয়ে দিলে,
ইতিউতি চেয়ে দেখে! অবাক অচল মুদ্রা হাতে!
নিমিষেই বুঝেফেলি, ঘুমিয়েছি হাজার বছর!
পালিয়ে এসে ফের ঘুমিয়ে পড়ি।
প্রতিবিম্ব
সুখগুলো ঢেকেছিল;
ধুলার স্তুপে,
আয়নাটা মুছতেই-
সুখের অধিক অট্টহাঁসি করে উঠলো; দুঃখ,
প্রতিবিম্বে।
টোকা
কে জানি, টোকা দেয়;
সে কথা ভেবেই ঘুমে জেগে থাকে চেতনা-
নির্ঘুম চোখ ও মন,
কে জানি, টোকা দেয়;
দরজা খুলেই দেখি,
সুনসান দীর্ঘপথ; পথের দূ'ধারে,
একফসলা বৃষ্টি শেষে ঘাসে ঘাসে ভিজা রোদ,
দূর থেকে এসে বহুদূরে বাঁক নেয় নদী;
কেশর দুলিয়ে ছুটন্ত ঘোড়া যেন,
শুভ্র মেঘের ছায়ায় জল দূ’ভাগ করে ছুটছে;
বলাকার ডানার মত পালতোলা নৌকো,
সম্বিৎ ফিরে কপাট দিয়ে আসি;
কে জানি, টোকা দেয়;
দরজা খুললেই, হাত ধরে বলে;
চল,
দরজার ওপারে;
সীমাহীণ উন্মুক্ত কপাটবিহীন দরজায় ...
মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, কার্তুজ'এর সঙ্গেই থাকুন।