শনিবার, ১ জুন, ২০১৩

অপরাহ্ণ সুসমিতো


পরাণরে কই যাও ?

যে কোনো নির্মাণে ঝুল বারান্দায় আমি দাঁড়িয়ে থাকি, তোমার সিঁড়ি ভাঙ্গা দেখি

তুমি বদলে যাচ্ছো, দেয়ালের ছবি ফ্রেম জ্যামিতি হচ্ছে।

চির টলটল তোমার হাতের লেখা পাল্টে যাচ্ছে,তুমি যাদুঘরের দিকে হাঁটছো কেন?
চিরুনী খসে যায় তোমার হাত থেকে ডুকরে কেঁদে ওঠে জলের প্রাচীর
গান ভেসে যায় টেবিলে, জমা হয় প্রতিদিন ভোর।

তুমি একা একা কই যাও? কই যাও?
তোমার জামার বোতামে আমার মধ্যমা ছোঁয়, আমি ঘরময় থমথম করি
সুজনেষু গোলাপ তোমাকে হারাচ্ছি হারাচ্ছি

তুমি পারমানবিক সৌন্দর্য লুপ বেঁধে আমাকে শহরের আরক দাও

দাও চাবিকাঠি

তুমি কোথায় যাও মন? কই যাও একাকী?
আমি বিদ্বান নই, হেঁটে হেঁটে তোমার গান তান শব্দ নির্মেদ গুনে গুনে গাছের
সমান হয়ে দাঁড়াই।

তোমার মুখে আলো এসে পড়ে, তুমি একা একা ছবি তোলো তুমি কথা বলো
অন্ধ সেনাপতিটা লালবাতি উপেক্ষা করে দূরে যায়
বাবা ব্যাগ নিয়ে সংসার মা বোনে উদ্যান

কোন মিউজিয়ামের সামনে তুমি বন্ধুতার পতাকা ওড়াও সাদা বয়ানে

ও পরাণ ও পরাণ কই যাও? কই যাও একাকী?



মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, কার্তুজ'এর সঙ্গেই থাকুন।