শনিবার, ১ জুন, ২০১৩

খন্দকার নাহিদ হোসেন


যাদুকরের কিচ্ছা

গহনে বৃষ্টির শ্যালো-ইঞ্জিন
গাঁও-গেরাম ডোবে-ডোবে ছেলেটার
বুকের ঘাটলা
মেয়েটা ডুবতে তবু ডরায় না কেন?
অন্ধকারের গুহায় মানুষ নরম
যাদুকরও তাই
তবে কি কিচ্ছার শেষে সে লিখবে
শেষ লাইনের ধসে-
এসো খোঁপা বেঁধে দেই... ঝড় আসছে...!

চন্দ্রবোড়ার ফণার পাড়ে
যে যাদুকর আকাশটা মুছে দেয়
তারই কাছে কেন চাও
পরাণের বাড়ি?
চলো উইনশিল্ডে লিখি
হাতে ডুবিয়েই হাত-
আড়ি আড়ি আড়ি!

জিতে যাবে বলে এসেছিলে
অথচ যাদুকরের বাজি ভালোবাসার উপর
এখনো হাতের তাস নিয়ে ভাবছো-জিতবে?
সখী, সাধনায় অন্ধকারও হারে-জেনে যায়
সেরা ম্যাজিক সবাই পারে না-সেরা বলেই।

আগমনী রাত-মণ্ডপও তৈরি
ফোরকাস্ট গ্রামোফোনে বলছে-
ছেলেটা ভিজবে তার লোকালয় নিয়ে!

জানালা ভিড়িয়ে দাও-এ বুকে ঝড়-বৃষ্টি...।

১৭ই মে, ২০১৩
আউচপাড়া, টঙ্গি-গাজীপুর।



মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, কার্তুজ'এর সঙ্গেই থাকুন।