শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

আশরাফুল ইসলাম পিয়াস



ঢাকা, তুমি মনোটোনাস কিন্তু অদ্ভুত রকমের মনোরম।
তোমার লিপিকারেরা তাই দস্তা কাগজের মূল্য খুঁজে পায়,
ফাইনপেন নাই, তাতে কি হয়েছে। শহীদ কাদরী রাতে আতশবাজির মত নৃত্যের ঝনাত্‍কারের তুলিরং এঁকে যায়,
আঁঠার মত ইলিয়াস ইতিহাসের বাকল ছুয়ে একদম অন্তরন্ধ্রে ঢুকে ডিসেকটিং করে যায়, তাই তো দাবি তুলে!
ধানমণ্ডি লেকের কোন সিঁড়িতে আজাদ দেখেছিল অনেকগুলি আলতারাঙা পায়ের ছাপ?!
তুমি বারবার শহর হয়ে জন্মাও পরিকল্পিতভাবে,
অতীত মিথের ব্যাথা জুঁইফুলের মত ধরে রাখতে জানো!
সন্ধ্যার প্রারম্ভেই নিয়ন অথবা সোডিয়াম আলোর দরজাগুলি খুলে দাও-কিসের জন্য!?
তোমার আবুল হাসানকে মনে পরে না, যে ক্ষয়ে ক্ষয়ে ক্ষয়ে গিয়েছিল।
শামসুর রাহমান!
'শাদা' শব্দটি মনে পরে
শুভ্র ঝিনুক ছুঁয়ে দেখি এই নামটি যতবার উচ্চারিত হয়।
বিষণ্ন সুন্দরের খাতায়
তোমার অনেক সন্তানেরা।
"শুদ্ধতম কবি"-পুনরুদ্ধার হয়
তোমাতেই-মান্নান সৈয়দ, পায়রা ছিল বোধহয়।
যারা গম্বুজে গম্বুজে ওড়ে বেড়ায়।
"আমরা তিনজন" -যতবার পড়ি, পল্টনের সেই বাড়িটি রুপোর মত অতীব ঝকঝকে হয়ে গলে পরে, অদ্ভুত জোত্‍স্নার মত!
বুদ্ধদেব বসু একটি থরথরে মণির মত চোখ দিয়েছিল ভিঞ্চির মোনালিসায়, জলদস্যুদের মত মাঝে মাঝে না হলে চলে না!
তোমার কাছে আসলেই ফ্যাসিবাদী, স্বৈরাচারী হয়ে যাই-চুম্বনে চুম্বনে!!
জল পান করি,
তুমি পান করে শিখাও আরো !
ক্যামোফ্লেজের সুচতুর দৌরাত্ন কোথায় ছাই হয়ে যায় পুরানো ঢাকার অলিগলির স্মিত হাসিতে।


মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, কার্তুজ'এর সঙ্গেই থাকুন।