মাজুল হাসান বিরচিত "মালিনী মধুমক্ষিকাগণ"-পাণ্ডুলিপিটি বই আকারে প্রকাশিত হবে ২০১৪ ইং বর্ষের অমর একুশে গ্রন্থমেলায়। বইটির প্রকাশনায়ঃ বাঙলায়ন প্রকাশনী। বইটির সম্বন্ধে জানাতেই প্রকাশিতব্য পাণ্ডুলিপির মধ্যথেকে বেশ কয়েকটি কবিতা নিয়ে কার্তুজের এবারের রাউন্ড "পাণ্ডুলিপি সমাচার ২০১৪"
- মালিনী মধুমক্ষিকাগণ -
মা এক কাগুজে ফুল
রোজ বেণী দুলিয়ে যে কিশোরী চলে যায় কুয়াশাভিলায়―তার কাছে
নদী মাত্রই নাচের শিক্ষক। তাই ঘুঙুর হাসলেও
কারো কারো কাছে মিশন স্কুল হয়ে ওঠে দুঃখ সমার্থক।
আর অশ্র’নীল জানে―সুখ হলো এক নিরিবিলি গির্জার মতো
যেখানে মরমর শব্দের মেঠোপথ; পলেস্তারা খসা দেয়ালে
বিষন্ন পাদ্রীর গলে যাওয়া প্রতিকৃতির মতো পয়মন্ত সময়
সেই প্রচ্ছায়া-পেখমে মায়ের সাথে প্রথম দেখা হয়েছিল বাবার
আর প্রথমবারের মতো পৃথিবীর কোনো গির্জায় বেজেছিল চার্চবেল
সেদিন ছুটির ঘণ্টা ভুলে মিশন স্কুলের রুলটানা খাতায়
মা যে তারাগেন্দা এঁকেছিলেন, শুনেছি বাবা তার ক্যাপশন লিখেছিলেন
====================================‘মধু’
সেই থেকে মৌমাছির সাথে আমার এতো মিল
আর কাগুজে ফুল মাত্রই আমার কাছে মায়ের মতো প্রিয়..
চাঁদনীপশর
যদি আকাশ ধসে পড়ে বর্শাঘাতে তবে ওরা যেন একফোটা বৃষ্টি পায় ভাগে
যেন শিশুরা বোতলে ভোরে নিতে পারে রিমঝিম-ঝিম মিস বর্ষাকাল
ক্ষমা করবেন মেঘদেবতা, ক্ষমা করবেন নেতা―আমি বোকাচোদা কবি
লিরিক বুঝি না, আসরে বসলে স্বপ্নে মাথা ঝাঁকে শুধু; আর কণাকাঞ্চি দিয়ে
বিজলীরানীর যা কিছু পাই তাতেই আমি জ্বলেপুড়ে...
===============================চাঁ দ নী বা হা র
মাইবাপ, আমি এক বাজ পড়া গাছ। সেই কবে ভুল করে―স্বপ্নে
========================পরীদের সাথে বসেছি ডিনার
তবু সাগর তীরে দাঁড়ালে নিজেরেই মনে হয় লাইট হাউজ!
এখানে সৈকত মানেই নীলা-শুভ্রার মদিরাভর্তি নাভি
আহ কী ধারালো! আর কী মসৃণ! ওরে কে আছিস? আমাকে ধর। ঝাঁকা।
একটু মুখ ডুবালেই আমার টং করে নেশা হয়ে যায়। তখন খালি টাটায়!
===========================পাগলা ঘুন্টি বাজে! পাগলা ঘুন্টি!
রোজ বেণী দুলিয়ে যে কিশোরী চলে যায় কুয়াশাভিলায়―তার কাছে
নদী মাত্রই নাচের শিক্ষক। তাই ঘুঙুর হাসলেও
কারো কারো কাছে মিশন স্কুল হয়ে ওঠে দুঃখ সমার্থক।
আর অশ্র’নীল জানে―সুখ হলো এক নিরিবিলি গির্জার মতো
যেখানে মরমর শব্দের মেঠোপথ; পলেস্তারা খসা দেয়ালে
বিষন্ন পাদ্রীর গলে যাওয়া প্রতিকৃতির মতো পয়মন্ত সময়
সেই প্রচ্ছায়া-পেখমে মায়ের সাথে প্রথম দেখা হয়েছিল বাবার
আর প্রথমবারের মতো পৃথিবীর কোনো গির্জায় বেজেছিল চার্চবেল
সেদিন ছুটির ঘণ্টা ভুলে মিশন স্কুলের রুলটানা খাতায়
মা যে তারাগেন্দা এঁকেছিলেন, শুনেছি বাবা তার ক্যাপশন লিখেছিলেন
====================================‘মধু’
সেই থেকে মৌমাছির সাথে আমার এতো মিল
আর কাগুজে ফুল মাত্রই আমার কাছে মায়ের মতো প্রিয়..
চাঁদনীপশর
যদি আকাশ ধসে পড়ে বর্শাঘাতে তবে ওরা যেন একফোটা বৃষ্টি পায় ভাগে
যেন শিশুরা বোতলে ভোরে নিতে পারে রিমঝিম-ঝিম মিস বর্ষাকাল
ক্ষমা করবেন মেঘদেবতা, ক্ষমা করবেন নেতা―আমি বোকাচোদা কবি
লিরিক বুঝি না, আসরে বসলে স্বপ্নে মাথা ঝাঁকে শুধু; আর কণাকাঞ্চি দিয়ে
বিজলীরানীর যা কিছু পাই তাতেই আমি জ্বলেপুড়ে...
===============================চাঁ দ নী বা হা র
মাইবাপ, আমি এক বাজ পড়া গাছ। সেই কবে ভুল করে―স্বপ্নে
========================পরীদের সাথে বসেছি ডিনার
তবু সাগর তীরে দাঁড়ালে নিজেরেই মনে হয় লাইট হাউজ!
এখানে সৈকত মানেই নীলা-শুভ্রার মদিরাভর্তি নাভি
আহ কী ধারালো! আর কী মসৃণ! ওরে কে আছিস? আমাকে ধর। ঝাঁকা।
একটু মুখ ডুবালেই আমার টং করে নেশা হয়ে যায়। তখন খালি টাটায়!
===========================পাগলা ঘুন্টি বাজে! পাগলা ঘুন্টি!
আর আমি লাইটহাউজ ভাবলেই ওরা পাঠিয়ে দেয় রণহুঙ্কার; যুদ্ধজাহাজ...
কচ্ছপ ও জুতো
গোলাপ বাগানে দাবানলের শোক আমাকে বানিয়ে দিচ্ছে অর্ধেক দমকল
আর অর্ধেক মোর্স কোড জামানার ভাঙ্গা বেতার তরঙ্গ
===============================যুদ্ধ! যুদ্ধ! যুদ্ধ!
আমি তো দেখেছি কতো―সাদা ফতুয়া, কালিঝুলি শাড়ি...
সফেদ কলব নয়, চুমু খায় জলপাই বুটে
যেমন কালো আয়নায় বারবার মুখ দেখে বয়োসন্ধির অন্ধ কিশোর
তবু জুতো মাত্রই প্রাজ্ঞ ও ইতিহাসবেত্তা
কার ঘরে গেল কার ঘরনী, তরণী এবার কোন তরুতলে!
তিনিই জানেন। কেনো মানুষের এক হাত করাত হয়ে
==========================কেটে ফেলে অন্য হাত?
সাক্ষী তিনি আলোহিম মানুষের সকল গলিঘুপচি অন্ধকার ও গুপ্ত কথার
ওদিকে, সানগ্লাস চোখে আধপোড়া বাসে চড়ে বসেছেন অতিথী ঈশ্বর
দ্যাখে মনে হয় অশিতিপর বৃদ্ধ কচ্ছপ। হঠাৎ পুলিশের পিচকারি
আর টোকাইয়ের খেলনা পিস্তল গর্জে উঠলেই পরিখায় মুখ লুকান ভয়ে...
কচ্ছপ―ছোট্ট মাথাসহ শরীর তার যুগপৎ পরিখা আর বর্মসহ বাড়ি
দরজা থেকে ফিরে এলাম
‘দরজা থেকে ফিরে এলাম। কারণ দরজা খোলা ছিল’
এখন মেহগুনি ফাটার শব্দ। বুঝি না, উৎসব ক্যানো এতো মদমত্ত
==============================অক্ষমের আস্ফালন?
একদা চুরি করে যে বেলপাতা রেখে আসা হলো প্রযত্নে সুনেত্রার
তার অনুচ্চ ঘ্রাণ; ক্যানো পারে না ঠেকিয়ে দিতে ডাকাত-আগমন?
এখন রাত। ছুরি-কাচি টুংটাং, রংঅন্ধ রেড ওয়াইন
পাখি ও পাইনের বন্যগভীরে কোথাও কোনো রাজর্ষি নেই
হায়! একটা ভারী চুম্বনও জুটলো না জীবনে!
―এই আক্ষেপ অদৃশ্য-শ্রবণে সুনেত্রা বলেছিল―‘গোশালা ছেড়ে
একবার শুধু খসালডাঙ্গির মেলায় এসো। এসো জয়ফল
ও কোশানৌকার দ্বীপে। সেথায় পাবে তুমি গোষ্ঠের মাঠ।’
―‘আমাকে নাও, আমাকে নাও’ বলে আলো দেখাবে
আহত দিকচক্রবাল। আমি যাই, ফিরে আসি দুয়ার থেকে
======================ভেতরে অপেক্ষা। কান্না কলহাস্যের...
সফেদ কলব নয়, চুমু খায় জলপাই বুটে
যেমন কালো আয়নায় বারবার মুখ দেখে বয়োসন্ধির অন্ধ কিশোর
তবু জুতো মাত্রই প্রাজ্ঞ ও ইতিহাসবেত্তা
কার ঘরে গেল কার ঘরনী, তরণী এবার কোন তরুতলে!
তিনিই জানেন। কেনো মানুষের এক হাত করাত হয়ে
==========================কেটে ফেলে অন্য হাত?
সাক্ষী তিনি আলোহিম মানুষের সকল গলিঘুপচি অন্ধকার ও গুপ্ত কথার
ওদিকে, সানগ্লাস চোখে আধপোড়া বাসে চড়ে বসেছেন অতিথী ঈশ্বর
দ্যাখে মনে হয় অশিতিপর বৃদ্ধ কচ্ছপ। হঠাৎ পুলিশের পিচকারি
আর টোকাইয়ের খেলনা পিস্তল গর্জে উঠলেই পরিখায় মুখ লুকান ভয়ে...
কচ্ছপ―ছোট্ট মাথাসহ শরীর তার যুগপৎ পরিখা আর বর্মসহ বাড়ি
দরজা থেকে ফিরে এলাম
‘দরজা থেকে ফিরে এলাম। কারণ দরজা খোলা ছিল’
এখন মেহগুনি ফাটার শব্দ। বুঝি না, উৎসব ক্যানো এতো মদমত্ত
==============================অক্ষমের আস্ফালন?
একদা চুরি করে যে বেলপাতা রেখে আসা হলো প্রযত্নে সুনেত্রার
তার অনুচ্চ ঘ্রাণ; ক্যানো পারে না ঠেকিয়ে দিতে ডাকাত-আগমন?
এখন রাত। ছুরি-কাচি টুংটাং, রংঅন্ধ রেড ওয়াইন
পাখি ও পাইনের বন্যগভীরে কোথাও কোনো রাজর্ষি নেই
হায়! একটা ভারী চুম্বনও জুটলো না জীবনে!
―এই আক্ষেপ অদৃশ্য-শ্রবণে সুনেত্রা বলেছিল―‘গোশালা ছেড়ে
একবার শুধু খসালডাঙ্গির মেলায় এসো। এসো জয়ফল
ও কোশানৌকার দ্বীপে। সেথায় পাবে তুমি গোষ্ঠের মাঠ।’
―‘আমাকে নাও, আমাকে নাও’ বলে আলো দেখাবে
আহত দিকচক্রবাল। আমি যাই, ফিরে আসি দুয়ার থেকে
======================ভেতরে অপেক্ষা। কান্না কলহাস্যের...
মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, কার্তুজ'এর সঙ্গেই থাকুন।