নিরুদ্যম কালবেলায়
দুঃখকে বাগ-মানিয়ে, বুকে ধারণ করে অনিরুদ্ধ সাহস;
জন্মের সাথে প্রাচীন রাস্তায় হাঁটতে থাকা পথচারী
নিশ্ছিদ্র ভিড় ঠেলে কেবল হেঁটেই চলেছে সম্মুখে।
অবিরাম ঘড়ির চাকায়, হৃদযন্ত্রে, ধুয়া দিচ্ছে সস্তা সিগারেট,
জন্ম-মাপকাঠি অপমৃত্যুর দখলে ঠেলে দিয়ে,
দিকশূন্য পথ ধরে, মহুয়া-বন মাড়িয়ে, কোথায় যে হেঁটে চলেছে পথিক!
কে জানে সেখানে কবে, কে যাবে আগে আর কে পরে।
এতে পথিক কখনো খাপছাড়া হয়ে ভুল দিকে যেতে চাইলে
যেতে পারবে, অনন্ত অথবা নিকটের যেখানে সেখানে।
বাঁধা দিবে কে? আটকানোর নিয়মও নেই।
পরিক্রমার ক্রমশ এগিয়ে যাওয়া না থামা পর্যন্ত,
শাবক ছানা সবে এসেই জুড়ে বসুক মুল্লুক, আর ভেঙে ফেলুক সাম্য,
কেবল যেতেই থাকবে, এগোতেই থাকবে এই ধারা।
পৃথিবীর আখায় জ্বলে-মরতে, বাড়তেই থাকবে জন্ম আঁতুড়ঘরে।
কে ঠেকাবে? ঠেকানোরও কোন নিয়ম নেই।
নিয়ম নেই বাঁধা দেবার কাওকে অন্ধ গলিতে ঠেলে দিলে,
কারো হাড়ির সব ভাত সাবার করে, চোর বলে অন্যকে ধরিয়ে দিলেও।
নতুন সংবাদ শেষ না হতে আরেকটার শুরু হওয়া শিরোনামে
অহেতুক কারো নাম আসতেই পারে,
এতেও চমকে যাবার কিছুই দেখছিনা মেনে না নিয়ে।
মিথ্যেকে মিথ্যে বুঝা পর্যন্ত যে সত্যি ধরা দেই সম্পর্কে,
কেউ যদি তাই নিয়েই যেতে চায়, তো যাক না,
এতেও আপত্তি থাকবেনা, বাঁধ সাধবেনা দ্বিতীয় পক্ষ,
কেনোনা স্বার্থের বাজারে মিথ্যে বলার অনেক দাম।
১৭মার্চ ‘১৩ রাজশাহী।
মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, কার্তুজ'এর সঙ্গেই থাকুন।