সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০১৩

প্রজ্ঞা মৌসুমী


জ্যোৎস্নার গর্ভপাত

অন্ধ ডিঙি থেকে সমুদ্রপথ-
খুঁজে পেলেই দ্বাদশ চিহ্নের উড়ান, লবণের স্বাদ,
বুকের কাছে লাল কাঁকড়া।
খুঁজে পেলেই চোখ সেই দূরের গাছ
যে গাছের ভেতর শব্দ থাকে;
পাতার সমতলে আঁচ তুলে বুনো হলুদ।
আহ্! কাঁটার ফোকরে কতকালের জ্যোৎস্না;
একটা অবুঝ শ্যাওলার ডালে এতটা সবুজ ধরে!

ননস্টিক ডিঙি থেকে ডুবুরির আঁশ-
তলিয়ে গেলেই সমুদ্রের গজল, জ্যোৎস্নার জলবাতাস,
বুকে ছোট ছোট দোলনচাঁপার ঝাঁক।
আহ্! খোয়াবের হাওয়া টেনে ধরে হাত-পাখার আঙুল।
করোটির সরল বিভ্রান্তিতে আসে সর্ষে খেতের ঘ্রাণ,
উষ্ণ সমুদ্রে ডুবসাঁতার!

বেসিনের বেনোজল রূপকথা শোনায়, 'কি পবিত্র আত্মাহুতি!
নোনা জোছনা ভেসে হয় মিহি ধনেপাতা,
শেকড় ডুবে থাকে সোনালী জাড়ে, মৃত হাড় হিমঘরে।
আর এক গর্ভবতী দোলনচাঁপা
.............বেঁচে থাকে ভূতুড়ে টুথব্রাশে।



মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, কার্তুজ'এর সঙ্গেই থাকুন।