শুক্রবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩

খন্দকার নাহিদ হোসেন


শীতপুরাণ

কাজল বাক্যে লেখা ছিল-
‘যার জন্ম বালক বংশে
সে চোখ মেলেই দেখবে ডাইনি রোদ!’
অথচ
দরগাতলায় কুয়াশা ও কুয়াশা
রেহেলে পবিত্রগ্রন্থ......
এইটুকু স্মৃতি নিয়ে কৈশোরের জন্ম শীতে।

এমন কেন হয়?
শেষমেশ হাতে তাবিজ ঝুললো
ঘরে পড়লো তন্ত্র মন্ত্রেরই ছিটা
কপাটেও আঁকলাম-তপ্ত শিখা
তবু কিছুতেই কিছু হলো না
এখনো বুকের ওমে খলবলায়-
অসুরী সে শীত। 

প্রাচীরের পাড়ে শুনি বাসনার বোল
এপাশে ফাটল বিকার-ঠোঁট কাঁপে!
যে নারীর দেহ গায়ে ভেঙে ভেঙে পড়ে
তাকেই দিয়েছি শুধু যাদুরই কাঠি-
মেয়ে, জেনো  ভূভাগের শুধু তুমিই
এ দেহে দুঃখ জ্বালাতে পারো।

এক নারী শীতের সালুনে সাধে
ভুলে যাওয়ার তপ্ত সুধা
সে কি জানে জিভের নিয়ৎ?
জানে কি-কোন সে টিপে
প্রিয় লাগে তিরতিরে সুখ
এক মানবীর আঁকড়ানো নাভির কাঁপন?

শব্দে শীত ঠোকরায়
ওড়ে রমণক্লান্ত নারীর শাড়ি
কোন বাক্যে বোঝাই দুঃখগাঁথা?
যেখানেই যাই যে পথেই চলি
মোড়ে মোড়ে হিম চঞ্চু
পালকেই মুখ গুঁজে থাকে পড়ে!

‘পারানির বৈঠা হাতে
তবু ভালোবাসা কাছিমের চলা!’
এ সত্য যে প্রিয়-
মিলিয়ে যাওয়া এক মানবীর মতো।
মেয়ে, আল্লাহর কিরা-
জাজিমে গোঙানি সুখ
শীত আউরায় অগ্নি অগ্নি!



মতামত জানানোর জন্য ধন্যবাদ, কার্তুজ'এর সঙ্গেই থাকুন।